Rokiron DigitalBuy the $99 audit

বাংলাদেশ

দারাজের কমিশন বাঁচিয়ে নিজের দোকান চালানোর সিস্টেম

দারাজ, ফেসবুক আর নিজের দোকান — একসাথে কয়েক জায়গায় যাঁরা বেচেন, মাসে কয়েক লাখ টাকার বিক্রি।

এখন যেভাবে চলছে।

  1. প্রতি বিক্রিতে কমিশন যাচ্ছে

    দারাজের কমিশন পণ্যভেদে ৮.৬% থেকে ১৭.২% পর্যন্ত। তার উপর মার্কেটপ্লেসের কমিশনে এখন ৫% ভ্যাটও বসে। মাসে পাঁচ লাখের বিক্রিতে অঙ্কটা ছোট নয়।

  2. স্টক এক জায়গায় ফুরায়, আরেক জায়গায় বিক্রি হয়

    দারাজ, ফেসবুক আর নিজের সাইটের স্টক আলাদা। একই শেষ পণ্যটা দুই জায়গায় বিক্রি হয়ে গেলে একজন ক্রেতাকে ফোন করে না বলতে হয়।

  3. পেমেন্ট গেটওয়ে নিজে বসানো যায় না

    এসএসএলকমার্জ, বিকাশ বা নগদের মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট খোলা যায়, কিন্তু সাইটের সাথে জুড়তে গেলে কারিগরি কাজ লাগে। বেশিরভাগ দোকান ওখানেই আটকে যায়।

  4. কুরিয়ারের হিসাব হাতে মেলাতে হয়

    পাঠাও, স্টেডফাস্ট আর রেডএক্স — তিন জায়গায় তিন রকম হিসাব। ক্যাশ অন ডেলিভারির টাকা কোনটা ফেরত এলো, সেটা মাস শেষে হাতে মেলাতে হয়।

  5. ভ্যাটের কাগজ গোছানো নেই

    বিআইএন আর ভ্যাটের হিসাব এখন অনলাইনে জমা দিতে হয়। অর্ডারের তথ্য যদি তিন জায়গায় ছড়ানো থাকে, হিসাবটা প্রতি মাসে নতুন করে বানাতে হয়।

আমরা যা বানিয়ে দিই।

  • নিজের ওয়েবসাইট আর দোকান। পণ্য, দাম, স্টক আর ক্রেতার তালিকা আপনার নিজের হাতে থাকবে।
  • বিকাশ, নগদ আর কার্ডের পেমেন্ট সাইটেই বসানো — গেটওয়ের কাগজপত্র থেকে সংযোগ পর্যন্ত আমরা করে দিই।
  • পাঠাও, স্টেডফাস্ট আর রেডএক্সের সাথে সংযোগ। অর্ডার থেকে সরাসরি পার্সেল, আর ক্যাশ অন ডেলিভারির টাকা মেলানোর হিসাব।
  • সব চ্যানেলের স্টক এক জায়গায়, যাতে দারাজে বিক্রি হলে সাইটেও কমে যায়।
  • ভ্যাটের জন্য অর্ডারের হিসাব গুছিয়ে রাখা, মাস শেষে নামিয়ে নেওয়া যায় এমনভাবে।
  • দারাজের পুরোনো পণ্যের তালিকা নতুন সাইটে তুলে দেওয়া।

দাম।

শুরুতে
৳60,000
মাসে
৳4,000

কন্টেন্ট আর পণ্যের তালিকা হাতে পাওয়ার পর 20 কর্মদিবসে সাইট চালু। মাসিক ফি-তে থাকে হোস্টিং, পেমেন্ট গেটওয়ে আর কুরিয়ার সংযোগের রক্ষণাবেক্ষণ, বাগ ঠিক করা আর বাংলায় সাপোর্ট — একই কর্মদিবসে উত্তর। মাসিক অংশে 6 মাসের চুক্তি। নতুন ফিচারের দাম আলাদা করে বলা হয়।

সাধারণ প্রশ্ন।

দারাজ ছেড়ে দিতে হবে?
না, এবং ছাড়াও উচিত নয়। দারাজ নতুন ক্রেতা আনে, সেটা মূল্যবান। যে ক্রেতা একবার কিনেছে, তাকে দ্বিতীয়বার নিজের সাইটে আনতে পারলে ওই বিক্রিতে আর কমিশন যায় না। দুটো পাশাপাশি চলে।
৬০ হাজার টাকা তো অনেক। ১৫ হাজারে তো সাইট বানানো যায়।
যায়, এবং দেখতেও ঠিকঠাক লাগে। তফাতটা হলো ওই সাইট অর্ডার নেয় না — পেমেন্ট বসানো থাকে না, কুরিয়ারের সাথে যোগ থাকে না, স্টক মেলে না। মাসে পাঁচ লাখ বিক্রির দোকানে কমিশনের অঙ্কেই খরচটা কয়েক মাসে উঠে আসে। হিসাবটা আমরা আপনার নিজের সংখ্যা দিয়ে করে দেখাই, আগে।
আগে একজন বানিয়ে দিয়েছিল, কাজ করেনি।
এটা প্রায়ই শুনি। সাইট দেখতে ঠিক থাকে, কিন্তু আসল অর্ডার এলে পেমেন্ট আটকে যায় বা কুরিয়ারে যায় না। তাই টাকা নেওয়ার আগে আমরা একটা ডেমো দোকানে সত্যিকারের বিকাশ পেমেন্ট আর একটা পার্সেল বুকিং করে দেখাই।
সাইটটা কার থাকবে?
আপনার। ডোমেইন, হোস্টিং আর কোড সবই আপনার নামে। মাসিক চুক্তি বন্ধ করলেও সাইট আর ক্রেতার তালিকা আপনার কাছেই থাকে।

অন্য রকম ব্যবসা: ফেসবুক শপের অর্ডার আর ডেলিভারি সামলানোর সিস্টেম, জিমের মেম্বারশিপ আর ফি আদায়ের সিস্টেম, কোচিং সেন্টারের ভর্তি, ফি আর ফলাফলের সিস্টেম

আপনার ব্যবসার কথা লিখে পাঠান।

এখন কোন কাজটা সবচেয়ে সময় নেয়, সেইটুকু লিখলেই হবে। কী বানানো যায় আর কত সময় লাগবে, আমরা লিখে জানাব।

দিনাজপুর, বাংলাদেশ