বাংলাদেশ
জিমের মেম্বারশিপ ও ফি আদায়ের সিস্টেম
যাঁরা জিম, ফিটনেস সেন্টার বা মাসিক ফি-তে চলা যেকোনো ব্যবসা চালান।
এখন যেভাবে চলছে।
কার ফি বাকি, মনে করে বের করতে হয়
খাতা উল্টে দেখতে হয় কে কবে টাকা দিয়েছে। কেউ দুই মাস না দিলে সেটা ধরা পড়ে তিন মাস পরে।
ফি চাইতে গিয়ে সম্পর্ক নষ্ট
মুখে মনে করিয়ে দেওয়া অস্বস্তিকর, তাই অনেক সময় বলা হয় না। না বলা টাকাই সবচেয়ে বেশি বকেয়া হয়।
মেম্বার চলে গেলে কারণ জানা যায় না
কে কতদিন আসছে না, সেই হিসাব না থাকলে একজন মেম্বার চলে যাওয়ার পর জানা যায় — ফেরানোর সুযোগ তখন শেষ।
একই তথ্য তিন জায়গায়
ভর্তির ফর্ম এক খাতায়, ফি আরেক খাতায়, ফোন নম্বর মোবাইলে। একজন মেম্বারের পুরো ছবি কোথাও নেই।
আমরা যা বানিয়ে দিই।
- মেম্বার লিস্ট, যেখানে ভর্তির তারিখ, প্যাকেজ আর ফোন নম্বর এক জায়গায় থাকে।
- ফি-র হিসাব, কার কবে দেওয়ার কথা আর কার কত বাকি — এক পাতায়।
- এসএমএস বা হোয়াটসঅ্যাপে ফি-র কথা মনে করিয়ে দেওয়া, যাতে মুখে বলতে না হয়।
- উপস্থিতির হিসাব, যাতে কে আসা কমিয়ে দিয়েছে তা আগেই চোখে পড়ে।
- মাসিক আয়ের হিসাব — কত এল, কত বাকি, কতজন নতুন।
সাধারণ প্রশ্ন।
- আমার জিম ছোট, চল্লিশজন মেম্বার। এত কিছু লাগবে?
- চল্লিশজনের হিসাব খাতায় রাখা যায়, কিন্তু বকেয়া আর উপস্থিতি মনে রাখা যায় না। সিস্টেমটা মেম্বার বাড়ানোর জন্য নয়, যাঁরা আছেন তাঁদের ধরে রাখার জন্য।
- মেম্বারদের অ্যাপ নামাতে হবে?
- না। সিস্টেমটা আপনার জন্য। মেম্বার শুধু এসএমএস বা হোয়াটসঅ্যাপে মনে করিয়ে দেওয়া বার্তা পাবেন।
- বিকাশে অটোমেটিক ফি কাটা যাবে?
- এখনো না। বাংলাদেশে মোবাইল ওয়ালেটে স্বয়ংক্রিয় মাসিক কাটার সুবিধা এখনো ব্যবসার জন্য খোলা নেই। আমরা বিষয়টা নিয়ে কাজ করছি, আর হলে জানাব।
অন্য ধরনের ব্যবসা: ফেসবুক শপের জন্য অর্ডার ও ডেলিভারি সিস্টেম, কোচিং সেন্টারের ভর্তি, প্রশ্ন ও ফলাফলের সিস্টেম
আপনার ব্যবসার কথা লিখে পাঠান।
এখন কোন কাজটা সবচেয়ে সময় নেয়, সেইটুকু লিখলেই হবে। কী বানানো যায় আর কত সময় লাগবে, আমরা লিখে জানাব।
দিনাজপুর, বাংলাদেশ