বাংলাদেশ
কোচিং সেন্টারের ভর্তি, ফি আর ফলাফলের সিস্টেম
কোচিং সেন্টার, ব্যাচ বা প্রাইভেট পড়ানোর প্রতিষ্ঠান যাঁরা চালান।
এখন যেভাবে চলছে।
কার ফি বাকি, মাস শেষে মনে থাকে না
টাকা খাতায় ওঠে, কিন্তু কে দুই মাস ধরে দেয়নি সেটা কেউ মনে করিয়ে দেয় না। তাগাদা দিতে দিতে বকেয়া পুরোনো হয়ে যায়।
ফলাফল বিলি করতে দুই দিন
খাতা দেখা শেষ হলেও নম্বর তোলা, শীট বানানো আর অভিভাবককে জানানো, সবই হাতে করতে হয়।
ভর্তির ফর্ম কাগজে, খুঁজে পাওয়া যায় না
কোন ছাত্র কোন ব্যাচে, কার বাবার ফোন নম্বর কী, জানতে হলে ফাইল ঘাঁটতে হয়।
অভিভাবক জিজ্ঞেস করলে উত্তর দিতে দেরি হয়
ছেলেমেয়ে কেমন করছে, গত তিন পরীক্ষায় কত পেয়েছে। হিসাবটা ছড়ানো থাকলে সঙ্গে সঙ্গে বলা যায় না।
আমরা যা বানিয়ে দিই।
- ছাত্রছাত্রীর তালিকা, ব্যাচ, ভর্তির তারিখ আর অভিভাবকের ফোন নম্বর।
- ফি আর বকেয়ার তালিকা, কার কত বাকি এক পাতায়।
- উপস্থিতির হিসাব, যাতে কে আসা কমিয়ে দিয়েছে সেটা আগেই চোখে পড়ে।
- ফলাফলের হিসাব, প্রতিটি ছাত্রের অবস্থা এক পাতায়।
- পুরো ব্যাচের অভিভাবককে একসাথে নম্বর আর বকেয়ার এসএমএস।
দাম।
- শুরুতে
- ৳8,000 — ৳15,000
- মাসে
- ৳500 — ৳1,500
দাম প্রতি শাখার জন্য। মাসিক ফি-র সাথে এসএমএস পাঠানোর ব্যালেন্স দেওয়া থাকে, আলাদা করে কিনতে হয় না। শুরুতে ফি আর উপস্থিতির কাজটা চালু হয়, ভর্তি আর ফলাফলের অংশ তার পরে। প্রশ্নপত্র এই দামের মধ্যে নেই—ওটা অভীক্ষার মাসিক ফি-তে অন্তর্ভুক্ত, যা আলাদা করে বানানোর চেয়ে অনেক কম খরচে হয়।
সাধারণ প্রশ্ন।
- প্রশ্নপত্র বানানোর কাজটা এর মধ্যে নেই কেন?
- ওটার জন্য আমাদের নিজেদের অ্যাপ আছে, অভীক্ষা (ovikkha.app/coaching)। ক্লাস, বই আর অধ্যায় বেছে প্রশ্ন টিক দিলে প্রশ্নপত্র তৈরি, ছাপার মতো করে। লগইন ছাড়াই কয়েকটা বানিয়ে দেখতে পারেন। আপনার জন্য নতুন করে একই জিনিস বানালে খরচ অনেক বেশি হতো, তাই আমরা সেটা করি না।
- আমাদের পরীক্ষা তো সব কাগজেই হয়।
- কাগজেই থাকবে। সিস্টেমটা নম্বর তোলা, ফলাফলের শীট আর অভিভাবককে জানানোর কাজটা সহজ করে দেয়।
- এসএমএস কি আলাদা করে কিনতে হবে?
- না। মাসিক ফি-র সাথে ব্যালান্স দেওয়া থাকে, শেষ হলে আমরাই ভরে দিই।
অন্য রকম ব্যবসা: ফেসবুক শপের অর্ডার আর ডেলিভারি সামলানোর সিস্টেম, দারাজের কমিশন বাঁচিয়ে নিজের দোকান চালানোর সিস্টেম, জিমের মেম্বারশিপ আর ফি আদায়ের সিস্টেম
আপনার ব্যবসার কথা লিখে পাঠান।
এখন কোন কাজটা সবচেয়ে সময় নেয়, সেইটুকু লিখলেই হবে। কী বানানো যায় আর কত সময় লাগবে, আমরা লিখে জানাব।
দিনাজপুর, বাংলাদেশ