বাংলাদেশ
ফেসবুক শপের জন্য অর্ডার ও ডেলিভারি সিস্টেম
যাঁরা ফেসবুক পেজ বা গ্রুপে পণ্য বিক্রি করেন এবং অর্ডার আসে ইনবক্সে।
এখন যেভাবে চলছে।
অর্ডার থাকে ইনবক্সে, হিসাব থাকে মাথায়
দিনে ত্রিশটা মেসেজ এলে কোনটা কনফার্ম, কোনটা বাকি, কোনটা বাতিল — মনে রাখা যায় না। একটা অর্ডার হারালে সেটা শুধু একটা বিক্রি নয়, একজন ক্রেতাও।
একই প্রশ্নের উত্তর দিনে পঞ্চাশবার
দাম কত, সাইজ আছে কি না, ডেলিভারি চার্জ কত। প্রতিটা উত্তর হাতে টাইপ করতে হয়, কারণ দাম আর স্টক কোথাও লেখা নেই।
কুরিয়ারের হিসাব আলাদা খাতায়
কোন পার্সেল কোথায় আছে, কোনটার টাকা ফেরত এসেছে, কোনটা রিটার্ন — কুরিয়ারের অ্যাপ আর আপনার খাতা কখনো মেলে না।
মাস শেষে লাভ কত, জানা নেই
বিক্রি হয়েছে অনেক, কিন্তু পণ্যের দাম, ডেলিভারি খরচ আর রিটার্ন বাদ দিলে কী থাকল — সেই হিসাব কখনো বের হয় না।
আমরা যা বানিয়ে দিই।
- নিজের ওয়েবসাইট, যেখানে পণ্যের ছবি, দাম আর স্টক থাকবে — ক্রেতা নিজেই দেখে অর্ডার দেবে।
- অর্ডার লিস্ট, যেখানে নতুন, কনফার্ম, পাঠানো আর ডেলিভারি হয়ে যাওয়া অর্ডার আলাদা দেখা যায়।
- ক্যাশ অন ডেলিভারি সহ অর্ডার ফর্ম, ঠিকানা আর ফোন নম্বর ঠিকভাবে নেওয়ার ব্যবস্থা।
- বিক্রি ও খরচের হিসাব, যাতে মাস শেষে লাভটা এক জায়গায় দেখা যায়।
- ফেসবুক পেজ থেকে সরাসরি লিংক — পেজ বন্ধ করতে হবে না, পেজই থাকবে ক্রেতা আনার জায়গা।
সাধারণ প্রশ্ন।
- আমার তো পেজেই ভালো বিক্রি হচ্ছে, ওয়েবসাইট কেন লাগবে?
- পেজ ক্রেতা আনে, ওয়েবসাইট অর্ডার সামলায়। পেজ চালু থাকবে আগের মতোই। পার্থক্য হলো অর্ডারটা ইনবক্সে হারাবে না, আর দাম-স্টকের উত্তর আপনাকে হাতে টাইপ করতে হবে না।
- পেজ যদি কখনো বন্ধ হয়ে যায়?
- তখন ওয়েবসাইট আর ক্রেতার তালিকা আপনার নিজের কাছে থাকে। পেজ ফেসবুকের, ওয়েবসাইট আপনার — এই কারণেই দুটোই দরকার।
- বিকাশ বা নগদে পেমেন্ট নেওয়া যাবে?
- যাবে। বেশিরভাগ ক্রেতা ক্যাশ অন ডেলিভারিতে স্বচ্ছন্দ, তাই সেটা আগে ঠিক করা হয়, আর মোবাইল পেমেন্ট পাশাপাশি রাখা হয়।
অন্য ধরনের ব্যবসা: জিমের মেম্বারশিপ ও ফি আদায়ের সিস্টেম, কোচিং সেন্টারের ভর্তি, প্রশ্ন ও ফলাফলের সিস্টেম
আপনার ব্যবসার কথা লিখে পাঠান।
এখন কোন কাজটা সবচেয়ে সময় নেয়, সেইটুকু লিখলেই হবে। কী বানানো যায় আর কত সময় লাগবে, আমরা লিখে জানাব।
দিনাজপুর, বাংলাদেশ